যে প্রাসাদগুলির কথা বলতে চলেছি,—জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, মার্বেল প্যালেস, কাশীপুর উদ্যানবাটী, বেলগাছিয়া ভিলা, শোভাবাজার রাজবাড়ি, রাইটার্স বিল্ডিংস, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, টাউন হল, ন্যাশনাল লাইব্রেরির, নিজাম প্যালেস, ব্যাঙ্কশাল কোর্ট, জিপিও ইত্যাদি, -সেগুলি শুধুই ইট-চুন-সুরকির গাঁথনি নয়। তারা সামাজিক স্মৃতি, নগর-চরিত্র আর বাংলার নবজাগরণের প্রাণস্পন্দনের ধারক। বইটির মুখ্য উদ্দেশ্য তিনটি: প্রথমত, প্রাসাদগুলির স্থাপত্যভাষা বোঝা। তাদের খিলান, দেওয়ালের প্লাস্টার, কার্নিশ, বারান্দা, বাতাসের আর্দ্রতা ও দূষণের প্রভাব, পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা, কাঠ–লোহা–চুনসুরকির ব্যবহার ইত্যাদি। দ্বিতীয়ত, আলোচ্য প্রাসাদগুলির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রসঙ্গের সন্ধান করা। অর্থাৎ ঐসব দালানে অনুষ্ঠিত সংগীতসভা, সাহিত্য-আড্ডা, যাত্রাপালা আর নাটকের মঞ্চায়ন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়কার সভাসমিতির তত্ত্বতালাশ নেওয়া। তৃতীয়ত, প্রাসাদ সংরক্ষণ, আইনি সুরক্ষা, মালিকানাগত জটিলতা, শরিকি-চাপ, এবং ‘অ্যাডাপটিভ রিইউজ’-এর সম্ভাবনাগুলি খতিয়ে দেখা।
top of page
SKU: 978-93-49288-44-7
₹1,000.00 Regular Price
₹900.00Sale Price
bottom of page



