‘‘নানা অছিলায় রবীন্দ্রকে আমি নিত্য দেখি, নিয়ত শুনি, নিভৃতে পড়ি। মুক্তি যে নেই— জীবনে-মরণে তাঁকে না স্পর্শ করে! প্রেম-বিরহ, দুঃখ-আনন্দ, শোক-শ্রান্তি, একলা অথবা সমবেত মিছিলে— জীবনের নানা-পর্বে তাঁর কাছে রেকাব পেতে চলেছি। আরও সহজ করে বললে, তাঁর গানের কাছে, তাঁর ছবির কাছে, তাঁর নিত্য দিনের ঘটনাপুঞ্জের কাছে। এক—একটা দিন, সারা সারা দিন রবীন্দ্রনাথ শুনি। শান্ত হয়ে আসে চরাচর! তাঁর গানের মতোই ছবি আর তাঁর নিত্য। অনুভবের গোপন সরণি বেয়ে, এভাবেই ‘রবীন্দ্র’ আমার কাছে হয়ে ওঠেন চিরসখা। এ গ্রন্থ, তাঁকে নিয়ে নানা সময়ে, লেখার রেকাবে সাজানো সংকলন।’’
লেখকের ছেলেবেলা কেটেছে বীরভূমের বেজড়া গ্রামে। তারপর শান্তিনিকেতনে। স্নাতকোত্তর স্তরের পাঠ বিশ্বভারতীতে। বরাবরের আগ্রহ রবীন্দ্রনাথ ও তাঁর গানে, আউল-বাউল-দরবেশ-সাঁই সঙ্গে আর সাবেক কলকাতার গাল-গল্পে। ছিলেন ‘সুখী গৃহকোণ’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক, এরপর ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র সাব-এডিটর। বর্তমানে ‘এখন শান্তিনিকেতন’ পত্রিকার সম্পাদক ও বইওয়ালা বুক ক্যাফের কর্ণধার। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘মুখ ঢাকো করতলে’, গদ্যগ্রন্থ ‘১৫ মেমারি লেন’। এই গ্রন্থের জন্য তাঁকে নতুন কৃত্তিবাস পুরস্কার ‘দীপক মজুমদার সম্মাননা’ দেওয়া হয়। সম্পাদিত গ্রন্থ— ‘পৌষমেলা : স্মৃতির সফর’, ‘লকডাউনের দিনলিপি’, গল্প সংকলন— ‘পাঁচটি প্রেমের গল্প’, উপন্যাস— ‘অপেক্ষা একটি নদীর নাম’।




